ডোমেইন কেনার পর সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটা নিয়ে মানুষ আটকে যায়, সেটা হলো DNS। শব্দগুলো কঠিন শোনালেও ধারণাটা সহজ।
ইন্টারনেটে প্রতিটি সার্ভারের একটা সংখ্যার ঠিকানা থাকে, যেমন 103.15.44.2। মানুষের পক্ষে এসব মনে রাখা কঠিন, তাই নামের সাথে সংখ্যার ঠিকানা মিলিয়ে রাখার একটা তালিকা রাখা হয় — সেটাই DNS। মোবাইলের ফোনবুকের মতো: নাম দেখে নম্বর বের করে।
নেমসার্ভার হলো সেই ফোনবুক কোথায় রাখা আছে তার ঠিকানা। হোস্টিং কিনলে কোম্পানি দুটো নেমসার্ভার দেয়, যেমন ns1.example.com ও ns2.example.com। ডোমেইনের ড্যাশবোর্ডে ওগুলো বসিয়ে দিলে ইন্টারনেট বুঝে যায় আপনার সাইটের তথ্য কোথায় খুঁজতে হবে।
নেমসার্ভার বদলালে পুরো DNS নিয়ন্ত্রণ ওই কোম্পানির হাতে চলে যায় — তখন রেকর্ডগুলো ওখান থেকেই সাজাতে হয়।
www কে মূল ডোমেইনে।প্রতিটি রেকর্ডের সাথে TTL থাকে, সেকেন্ডে মাপা। এর মানে — এই তথ্যটা কতক্ষণ মনে রাখা হবে। ৩৬০০ মানে এক ঘণ্টা। রেকর্ড বদলানোর পরিকল্পনা থাকলে আগে TTL কমিয়ে ৩০০ করে রাখুন, তাহলে পরিবর্তন দ্রুত কার্যকর হবে।
DNS রেকর্ড বদলালে সাধারণত ১৫ মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা। নেমসার্ভার বদলালে ৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত লাগতে পারে। এই সময়টায় কেউ নতুন সাইট দেখবে, কেউ পুরোনো — এটা স্বাভাবিক, ধৈর্য ধরতে হবে।
আমাদের ড্যাশবোর্ডে প্রতিটি ডোমেইনের জন্য DNS রেকর্ড যোগ ও সম্পাদনার ব্যবস্থা আছে, নেমসার্ভার বদলানোও এক ক্লিকের কাজ।
bKash, Nagad বা কার্ডে পেমেন্ট করে এখনই নিন।
ডোমেইন নিয়ে নতুন গাইড আর ছাড়ের খবর সরাসরি ইমেইলে। স্প্যাম নেই, যেকোনো সময় বন্ধ করা যাবে।