ওয়েবসাইট বানাতে গেলে প্রথমেই এই দুটো শব্দ শুনতে হয়। অনেকে ভাবেন একই জিনিস, আবার অনেকে ভাবেন একটা কিনলেই আরেকটা ফ্রি পাওয়া যায়। আসলে দুটো সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস, আর সাধারণত দুটোই লাগে।
একটা দোকানের কথা ভাবুন। দোকানের ঠিকানা — "১২ নম্বর রোড, ধানমন্ডি" — এটাই ডোমেইন। এই ঠিকানা জানলে মানুষ আপনাকে খুঁজে পাবে।
আর দোকানঘরটা, যেখানে মালামাল সাজিয়ে রাখেন — সেটা হোস্টিং। ঠিকানা থাকলেও ঘর না থাকলে দোকান চলবে না; আবার ঘর থাকলেও ঠিকানা না জানালে কেউ আসবে না।
| ডোমেইন | হোস্টিং | |
|---|---|---|
| কাজ | ওয়েবসাইটের নাম বা ঠিকানা | ফাইল ও ডাটা রাখার জায়গা |
| উদাহরণ | resellic.com | সার্ভারের ডিস্ক স্পেস |
| নবায়ন | বছরে একবার | মাসিক বা বার্ষিক |
| না থাকলে | মানুষ খুঁজে পাবে না | সাইট খুলবে না |
না। আলাদা আলাদা জায়গা থেকে নেওয়া যায়, আর অনেক সময় সেটাই ভালো — এক জায়গায় সমস্যা হলে অন্যটা অক্ষত থাকে।
দুটোকে যুক্ত করতে ডোমেইনের নেমসার্ভার হোস্টিং কোম্পানির সার্ভারে বসিয়ে দিতে হয়। হোস্টিং কোম্পানি আপনাকে দুটো ঠিকানা দেবে (যেমন ns1.example.com), সেগুলো ড্যাশবোর্ডে বসিয়ে দিলেই কাজ শেষ। পরিবর্তন ছড়াতে ৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা লাগতে পারে।
ডোমেইন আগে। ভালো নাম দ্রুত ফুরিয়ে যায়, আর হোস্টিং যেকোনো সময় নেওয়া যায়। নাম পছন্দ হলে দেরি না করে নিয়ে রাখুন — এখানে খুঁজে দেখুন।
bKash, Nagad বা কার্ডে পেমেন্ট করে এখনই নিন।
ডোমেইন নিয়ে নতুন গাইড আর ছাড়ের খবর সরাসরি ইমেইলে। স্প্যাম নেই, যেকোনো সময় বন্ধ করা যাবে।